২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম হয়ে উঠেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। দুর্দান্ত ধারাবাহিকতায় টানা তিন ম্যাচে ‘ফিফা ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার জিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্রয়ে জয় না পেলেও ব্রাজিলের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরমার ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মাঠজুড়ে তার সক্রিয় উপস্থিতি, গতি ও আক্রমণভাগে ধারাবাহিক প্রভাব প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে। সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই।
দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন তিনি। দুর্দান্ত ড্রিবলিং, দ্রুতগতির আক্রমণ এবং সুযোগ তৈরির অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বারবার বিপদে ফেলেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন ভিনিসিয়ুস।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ব্রাজিল। সেই ম্যাচেও সবচেয়ে প্রভাবশালী ফুটবলার ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আক্রমণে তার কার্যকর উপস্থিতি এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বড় জয় পায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এর মাধ্যমে টানা তৃতীয়বারের মতো ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি।
পুরো গ্রুপ পর্বজুড়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ব্রাজিলকে শুধু আত্মবিশ্বাসই দেয়নি, শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেও দলটিকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রতিটি ম্যাচেই তার গতি, সৃজনশীলতা এবং আক্রমণভাগে কার্যকারিতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত ফর্ম ফুটবল অঙ্গনের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। নকআউট পর্বেও যদি তিনি একই ছন্দ ধরে রাখতে পারেন, তাহলে ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও শক্ত ভিত পাবে।

